গানের জগতে যদি
কোনো
দেবদূত
থেকে
থাকেন,
তবে
তিনি
মাইকেল
জ্যাকসন। যাকে
সারা
পৃথিবী
চেনে
'King of Pop' হিসেবে। কিন্তু
তার
এই
আকাশচুম্বী সাফল্যের আড়ালে
লুকিয়ে
আছে
এক
রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ইতিহাস।
১. কঠিন শৈশব ও কঠোর পরিশ্রম
১৯৫৮ সালে আমেরিকার ইন্ডিয়ানাতে এক
অতি
সাধারণ
পরিবারে জন্ম
নেন
মাইকেল। তার
বাবা
জোসেফ
জ্যাকসন ছিলেন
অত্যন্ত কঠোর।
শৈশবে
যেখানে
অন্য
শিশুরা
মাঠে
খেলাধুলা করত,
সেখানে
মাইকেল
এবং
তার
ভাইয়েরা ঘণ্টার
পর
ঘণ্টা
রিহার্সাল করতেন।
বাবার
হাতে
অমানুষিক পরিশ্রম আর
শাসন
সহ্য
করেও
তিনি
গান
থামাননি। এই
কঠোর
শৃঙ্খলা আর
শৈশবের
ত্যাগই
তাকে
ভবিষ্যতে বিশ্বমঞ্চের অপ্রতিদ্বন্দ্বী সম্রাট
করে
তুলেছিল।
২. 'থ্রিলার' এবং বিশ্বজয়
১৯৮২ সালে মুক্তি
পায়
তার
কালজয়ী
অ্যালবাম 'Thriller'। এটি
মিউজিক
ইন্ডাস্ট্রিতে এমন
এক
বিপ্লব
ঘটায়
যে
সারা
বিশ্বে
প্রায়
৭
কোটি
কপি
বিক্রি
হয়।
গিনেস
বুক
অনুযায়ী, আজও
এটি
পৃথিবীর সবথেকে
বেশি
বিক্রি
হওয়া
অ্যালবাম। এরপর
আর
তাকে
পেছনে
ফিরে
তাকাতে
হয়নি;
তিনি
হয়ে
ওঠেন
গ্লোবাল আইকন।
৩. সেই জাদুকরী মুনওয়াক (Moonwalk)
১৯৮৩ সালে একটি
টিভি
শো-তে 'বিলি জিন'
গানের
সাথে
মাইকেল
যখন
প্রথমবার মুনওয়াক করে
দেখালেন, তখন
পুরো
পৃথিবী
স্তব্ধ
হয়ে
গিয়েছিল। মানুষ
বিশ্বাসই করতে
পারছিল
না
যে
একজন
মানুষ
মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে উপেক্ষা করে
এভাবে
পেছনের
দিকে
হেঁটে
যেতে
পারেন!
এটি
কেবল
একটি
নাচ
ছিল
না,
এটি
ছিল
পপ
সংস্কৃতির একটি
নতুন
ইতিহাস।
৪. মানবতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র
অনেকেই মনে করেন
মাইকেল
জ্যাকসন শুধু
নাচ
আর
গান
করতেন,
কিন্তু
তিনি
ছিলেন
এক
বিশাল
হৃদয়ের
মানুষ।
'We Are the World' বা 'Heal the World' এর মতো
কালজয়ী
গানের
মাধ্যমে তিনি
সারা
বিশ্বে
শান্তি
ও
মানবতার ডাক
দিয়েছিলেন। তিনি
৩৯টি
দাতব্য
সংস্থাকে কোটি
কোটি
ডলার
দান
করে
গিনেস
বুক
অফ
ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে "সবথেকে বড়
দানবীর
শিল্পী"
হিসেবে
নাম
তুলেছিলেন।
"If you wanna make the world a better place, take a
look at yourself and then make a change." — Michael Jackson
৫. রহস্য এবং শেষ বিদায়
২০০৯ সালের ২৫
জুন,
সারা
বিশ্বকে শোকের
সাগরে
ভাসিয়ে
বিদায়
নেন
এই
কিংবদন্তি। তার
প্রয়াণ
নিয়ে
আজও
অনেক
রহস্য
আর
বিতর্ক
রয়ে
গেছে।
তবে
সত্য
এই
যে,
মাইকেল
জ্যাকসন শারীরিক ভাবে
আমাদের
মাঝে
না
থাকলেও
তার
সুর,
ছন্দ
আর
মানবতার বার্তা
বেঁচে
থাকবে
অনন্তকাল।

.png)
0 Comments